লাভলু সরকার| কালবিন্দু| মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এ এম
স্টাফ রিপোর্টার:
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. রবিউল আলম এসব সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এদিন সাক্ষ্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পৌরকর শাখা অঞ্চল-১ এর উচ্চমান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক তৈয়বা রহিম, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক রেশমা এবং রেভিনিউ সুপারভাইজার দেওয়ান মো. সাঈদ।
দুদকের
প্রসিকিউটর খান মো. মঈনুল
হাসান (লিপন) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আজ
তিনটি মামলায় মোট ৯টি সাক্ষ্য
দিয়েছেন সাক্ষীরা। আগামী ৩০ অক্টোবর পরবর্তী
সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা
হয়েছে।”
তিনি
জানান, যেহেতু আসামিরা সবাই পলাতক, তাই
তারা কোনো আইনজীবী নিয়োগ
দিতে পারেননি। ফলে আসামিপক্ষ থেকে
সাক্ষীদের জেরা করার প্রয়োজন
হয়নি।
গত ৩১ জুলাই এই তিন মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে একাধিক তারিখে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। এর আগে ১৩ আগস্ট তিনজন বাদী, ২৮ আগস্ট ৯ জন, ৪ সেপ্টেম্বর ১৫ জন, ২১ সেপ্টেম্বর ৯ জন এবং ৬ অক্টোবর আরও ৯ জন সাক্ষ্য দেন।
মামলার
পটভূমি
২০২৫
সালের জানুয়ারিতে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে
প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)
মোট ছয়টি মামলা দায়ের
করে। এসব মামলায় সাবেক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার
ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়,
মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, বোন শেখ রেহানা,
শেখ রেহানার সন্তান টিউলিপ সিদ্দিক, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক এবং আজমিনা সিদ্দিকসহ
একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও সরকারি কর্মকর্তাকে
আসামি করা হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, সরকারের সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব পালনকালে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচলের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর সড়কে ৬টি প্লট অনৈতিকভাবে বরাদ্দ নেন। তাদের বিরুদ্ধে প্লট বরাদ্দ পাওয়ার যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও প্রভাব খাটিয়ে বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
অন্য
অভিযুক্তরা
শেখ
পরিবারের বাইরেও এই মামলায় ১৫
জন সাবেক ও বর্তমান সরকারি
কর্মকর্তা অভিযুক্ত। এদের মধ্যে রয়েছেন:
সব মামলায় আসামিরা বর্তমানে পলাতক। আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। দুদক বলছে, এই মামলাগুলো রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপব্যবহার ও ক্ষমতার অপপ্রয়োগের জ্বলন্ত উদাহরণ। মামলার বিচার প্রক্রিয়া দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে নিচ্ছে সংস্থাটি।