নাজীর আহম্মেদ খান| কালবিন্দু| মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এ এম
দলটির নেতারা জানিয়েছেন, এ জোট সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেবে কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে দেশের রাজনীতিতে একটি বিকল্প শক্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে এটি।
এনসিপি মনে করে, দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও জামায়াত ঘরানার বাইরে অন্য কোনো রাজনৈতিক শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠিত হয়নি। ফলে নতুন প্রজন্মের মধ্যে হতাশা জন্ম নিয়েছে। এ বাস্তবতায় তরুণদের শক্তিকে প্রাধান্য দিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম তৈরির চেষ্টা চলছে।
সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে কয়েকটি অপেক্ষাকৃত ছোট রাজনৈতিক দল এনসিপির সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। শিগগিরই এ নিয়ে একটি যৌথ ঘোষণা আসতে পারে। আলোচনায় থাকা দলগুলোর মধ্যে রয়েছে—গণঅধিকার পরিষদ, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, গণতন্ত্র মঞ্চের কয়েকটি দল ও রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম আপ বাংলাদেশ।
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব ফরিদুল হক বলেন, ‘বলতে পারেন এখন এক ধরনের ইনফরমাল জোট হচ্ছে। অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হচ্ছে, এগুলো একেবারে স্ট্রিক নয়। এখন তো দেশে ফরমাল কোনো রাজনৈতিক জোট নেই। যারা নতুন সংবিধান প্রণয়ন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ ও গত ১৫ বছরের নানা অপকর্মের বিচার নিয়ে একমত—তাদের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠছে।’
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, ‘গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে আমরা একীভূত হচ্ছি না। তবে তাদের শীর্ষস্থানীয় অনেক নেতা আমাদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আলোচনা এগোচ্ছে, এখনই চূড়ান্ত কিছু বলা যাবে না। পুরো পার্টি যদি আমাদের সঙ্গে আসে, তবে কীভাবে অ্যাকোমোডেট করবো—সে বিষয়েও আলোচনা চলছে।’
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই জোট নির্বাচনী প্ল্যাটফর্মে পরিণত না হলেও নীতিনির্ভর একটি বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।