MD ANIS | Times News 24 | Fast Online News Portal | সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এ এম
অর্থনীতি প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গভীর, শক্তিশালী ও টেকসই করতে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সার্বভৌম সমতা এবং শান্তি ও সমৃদ্ধির অংশীদারত্বের ভিত্তিতে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে কাজ করছে সরকার।
গত শুক্রবার (১২ জুন) চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ডে’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। ১০ম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোর দ্বিতীয় দিনে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, "দুই দেশের সাধারণ মানুষ যাতে বাস্তব এবং প্রত্যক্ষভাবে সুফল লাভ করতে পারে, আমরা সে ধরণের একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই। এবারের আন্তর্জাতিক মেলায় বাংলাদেশের রেকর্ডসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ আমাদের সেই সদিচ্ছা ও প্রচেষ্টারই বাস্তব প্রতিফলন।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, কুনমিংয়ের মাটিতে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন দুই দেশের গভীর বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, যা বছরের পর বছর ধরে আরও বিকশিত হয়েছে। ‘ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ: ল্যান্ড অব অপরচুনিটিজ’ স্লোগানটির কথা উল্লেখ করে তিনি ইউনান প্রদেশের ব্যবসায়ী সমাজকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ দেখার এবং বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি পণ্য আমদানির উদাত্ত আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম, ইউনান প্রদেশের ভাইস গভর্নর লিউ ইয়াং, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ সহ দুই দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। বিকেলে একই ভেন্যুতে ‘বাংলাদেশ: সোর্সিং উইথ কোয়ালিটি অ্যান্ড কম্পিটিটিভনেস’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, ১১ জুন থেকে শুরু হওয়া ১০ম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপো এবং ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলা আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত চলবে। মেলায় বিশ্বের ৬৮টি দেশের প্রায় ২ হাজার ৩০০ প্রদর্শক অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে দেশের শীর্ষস্থানীয় ১০১টি প্রতিষ্ঠানের ১৭৫ জন প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। প্যাভিলিয়নটিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, ওষুধ, পাট ও চামড়াজাত পণ্যসহ প্রধান রপ্তানি খাতের সামগ্রী প্রদর্শন করা হচ্ছে।