শিরোনাম LIVE
পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বরে, বোর্ডের প্রথম সভা শেষে জানালেন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা দেশ ছেড়েছেন কোটি টাকা ঘুস চাওয়া সেই প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ দুর্ঘটনায় হারিয়েছিলেন দুই হাত, পা দিয়ে লিখেই পেলেন জিপিএ-৫ চিকিৎসার পর শুটিংয়ে ফিরে যেমন ছিলেন তানিয়া, রইল ১৫টি ছবি নেতানিয়াহুকে সরাতে এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের প্রস্তাব আনতে করতে পারে বিরোধী জোট যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ, কী কী জানা দরকার ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: কারণ জানতে সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডাকল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু নিয়ে যা জানা গেল ১ লাখ ইয়েমেনি সেনার সমন্বয়ে হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযানের পরিকল্পনা সৌদির, সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশ সেনাবাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে নেওয়া হচ্ছে ইউরেনিয়ামের বিশেষ চালান ১০০ জনকে পার্টটাইম চাকরি দেবে আড়ং, লাগবে না অভিজ্ঞতা এমপি পদ থেকে মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চাকরিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী তমা মির্জা বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম ফেসবুকে আসছে বিনামূল্যের ভেরিফায়েড ব্যাজ পদত্যাগের পর যে বার্তা দিলেন মোদির অনুগত শিক্ষামন্ত্রী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পরীক্ষা স্থগিত তাসকিনই এনে দিলেন দ্বিতীয় উইকেট, চাপে জিম্বাবুয়ে

ইউরোড্যাকে ডেটাবেসের কড়াকড়ি নজরদারি

শেয়ার
ইউরোড্যাকে ডেটাবেসের কড়াকড়ি নজরদারি

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বহুল আলোচিত নতুন ‘মাইগ্রেশন ও অ্যাসাইলাম প্যাক্ট’ (Migration and Asylum Pact) কার্যকর হওয়ার পর ফ্রান্সসহ পুরো ইউরোপজুড়ে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আশ্রয় প্রক্রিয়ায় এসেছে এক আমূল পরিবর্তন। এই নতুন ও কঠোর ব্যবস্থার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আধুনিকায়িত ‘ইউরোড্যাক’ (Eurodac) ডেটাবেস। আর এই আধুনিক ডিজিটাল সিস্টেম নিয়ে এখন ইউরোপের নীতিনির্ধারক ও মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। প্রশ্ন উঠছে, এই প্রযুক্তি কি আসলেই সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, নাকি অসহায় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য তৈরি করবে রাষ্ট্রীয় নজরদারির নতুন এক বন্দিশালা বা ফাঁদ?

ছয় বছরের শিশুর বায়োমেট্রিক ও কঠোর ডিজিটাল নজরদারি: ইউরোড্যাক ডেটাবেসের নতুন হালনাগাদের ফলে এখন থেকে ইউরোপে প্রবেশকারী অভিবাসীদের কেবল হাতের আঙুলের ছাপই নয়, বরং মুখমণ্ডলের নিখুঁত বায়োমেট্রিক তথ্য বা ছবিও (Facial Recognition) বাধ্যতামূলকভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হবে। সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে বয়সসীমা নিয়ে; নতুন নিয়মে এই ডেটাবেসের আওতায় আনা হয়েছে মাত্র ছয় বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদেরও, যেখানে আগে এই বয়সসীমা ছিল ন্যূনতম ১৪ বছর। ইউরোপীয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অনিয়মিত বা অবৈধ অভিবাসন রোধের প্রধান হাতিয়ার হিসেবেই দেখছে। ইইউ স্পষ্ট করে বলছে, একজন ব্যক্তি যেন ইউরোপের এক দেশে আশ্রয়ের আবেদন বাতিল বা নাকচ হওয়ার পর অন্য দেশে গিয়ে পুনরায় নতুন নামে আবেদন করার সুযোগ না পান। অর্থাৎ, তথাকথিত ‘সেকেন্ডারি মুভমেন্ট’ বা ‘অ্যাসাইলাম শপিং’ পুরোপুরি চিরতরে বন্ধ করতেই এই কঠোর ডিজিটাল পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ফাস্ট-ট্র্যাক প্রক্রিয়া ও মানবাধিকারের সংকট: এই কঠোর ডিজিটাল নজরদারি ইউরোপে আশ্রয়প্রার্থনাকারী সাধারণ মানুষদের জন্য এক নতুন মানবিক সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। নতুন আইন অনুযায়ী, সীমান্তে প্রবেশের পর মাত্র সাত দিনের সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় যাচাই ও নিরাপত্তা পরীক্ষা শেষ করতে হবে। এরপর ‘ফাস্ট-ট্র্যাক’ নামের দ্রুততম প্রক্রিয়ায় যাদের আবেদন সামান্যতম ভিত্তিহীন বা সন্দেহজনক মনে হবে, তাদের আইনি আপিলের সুযোগ না দিয়ে দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমালোচকদের মতে, ইউরোড্যাকের মতো এই শক্তিশালী গ্লোবাল ডেটাবেস আশ্রয়প্রার্থীদের কার্যত এক ‘ডিজিটাল খাঁচায়’ বন্দি করে ফেলছে। কাগজের কোনো সামান্য ভুল বা তথ্যের অমিলের কারণে মুহূর্তেই হয়তো কোনো প্রকৃত ভুক্তভোগীর আশ্রয়ের অধিকার চিরতরে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন বিশ্ববাজারে একলাফে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম আন্তর্জাতিক · ২৯.০৬.২০২৬

ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্সে এই আইনের প্রভাব পড়েছে সবচেয়ে বেশি। দেশটির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও স্থল সীমান্তগুলোতে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি কড়াকড়ি ও তল্লাশি করা হচ্ছে। যদিও নতুন নিয়মে একটি ইতিবাচক দিক রয়েছে—আশ্রয়প্রার্থীরা ফ্রান্সে প্রবেশের ছয় মাস পর থেকেই সরাসরি বৈধভাবে শ্রমবাজারে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন, যা আগের নয় মাসের নিয়মের তুলনায় কিছুটা স্বস্তির। তবুও সামগ্রিকভাবে এই প্রক্রিয়ার আমূল কঠোরতা ও যান্ত্রিকতা আশ্রয়ের মূল মানবিক ও আন্তর্জাতিক ধারণাকেই বড় ধরণের প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিভিন্ন বৈশ্বিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই নতুন বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, সুরক্ষা নিশ্চিত করার নামে আসলে ইউরোপের মাটি থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের তাড়িয়ে দেওয়ার আয়োজন চলছে, যা আশ্রয়প্রার্থীদের ভবিষ্যৎকে চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

অনুমোদন করেছেন: টাইমসনিউজ২৪.কম ডেস্ক - এডমিন

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
টড
লেখক সম্পর্কে টাইমস নিউজ ডেস্ক Desk Report · টাইমস নিউজ ২৪
পরবর্তী খবরইরান হামলায় ইলন মাস্ক ৯৬ ঘণ্ট্লায়ব্যাবহার করেছেন ২০০০ ''গ্রক এআই''

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য করতে লগইন করুন

এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্য করুন।

আন্তর্জাতিক থেকে আরও

বিভাগ দেখুন →
Times News 24
Total Visitors
—
Today: —