যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মধ্যবর্তী নির্বাচন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদের বাকি দুই বছর কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ তাঁর দল রিপাবলিকান পার্টি, নাকি বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টির হাতে থাকবে, তা নির্ধারিত হবে এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। ফলে এবারের ভোট শুধু কংগ্রেসের আসন দখলের লড়াই নয়, ট্রাম্পের নেতৃত্ব ও তাঁর প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের প্রতি ভোটারদের সমর্থন যাচাইয়েরও একটি পরীক্ষা।
কয়েক সপ্তাহ ধরে চলছে আগাম ভোট। ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মতো ভোটার উপস্থিতি হলে এবার ১০ কোটির বেশি মানুষ ভোট দিতে পারেন। নির্বাচন ঘিরে দুই দলের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনাও এখন তুঙ্গে। ভোটারদের সমর্থন পেতে উভয় দলই নির্বাচনী প্রচারে বিপুল অর্থ ব্যয় করছে।১২ অক্টোবর পর্যন্ত নির্বাচনী বিজ্ঞাপনেই ব্যয় হয়েছে রেকর্ড ৩৮০ কোটি ডলার। নির্বাচনী অর্থায়নের নথি অনুযায়ী, রিপাবলিকানদের সমর্থনে একাই প্রায় ৩৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার ব্যয় করেছেন ধনকুবের ইলন মাস্ক। এত বিপুল অর্থের প্রচার এবং বড়সংখ্যক ভোটারের অংশগ্রহণ এবারের নির্বাচনকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলের ওপর নির্ভর করবে, ট্রাম্প তাঁর মেয়াদের বাকি সময়ে কতটা নির্বিঘ্নে আইন প্রণয়ন ও নীতিগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারবেন। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারালে তাঁর প্রশাসনকে বিরোধী দলের বাধার মুখে পড়তে হতে পারে। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের এক বা দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেলে ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের ওপর নজরদারি ও তদন্তের সুযোগ পাবেন।যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কী, কেন এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, কংগ্রেসের দুই কক্ষের ক্ষমতা কতটা এবং এবারের ভোটের ফল ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য কী অর্থ বহন করতে পারে—এসব প্রশ্নের উত্তর জানার চেষ্টা করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।
















আপনার প্রতিক্রিয়া
প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যের জন্য লগইন
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিমালামন্তব্য করতে লগইন করুন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্য করুন।