সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ প্রকল্পের আওতায় ২২টি সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ হাজার শিক্ষার্থী মানসিক স্বাস্থ্যসেবা পাবেন। ইউজিসি ও ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগ আগামী সপ্তাহে শুরু হচ্ছে।
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যসেবা চালু হতে যাচ্ছে। ‘সামাজিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ নামে একটি বিশেষ প্রকল্পের অধীনে প্রাথমিকভাবে ২২টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী এ সেবা পাবেন। ধাপে ধাপে এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগে এ প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকেই কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
ইউজিসির সদস্য (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমরা প্রাথমিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দিয়ে এ উদ্যোগের সূচনা করতে চাই। এরপর পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও কার্যক্রম চালানো হবে।”
আরও পড়ুন
বিজ্ঞানী বানানোর বিনিয়োগ করে প্রশাসনিক অফিসার বানাতে চাই না
শিক্ষার্থীরা নানা প্রতিকূলতা ও মানসিক চাপের কারণে যে নেতিবাচক প্রভাবের মধ্যে পড়েছেন, তা কাটিয়ে উঠতে এবং শিক্ষায় মনোযোগী করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইউজিসি মনে করছে, প্রকল্পটি শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, মানসিক সুস্থতা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে।
ইউজিসি সূত্র জানায়, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান ও ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে পুনর্বাসনের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সময় শিক্ষার্থীরা রক্তপাত, সংঘর্ষ ও নানা সহিংস পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করেছেন, যা তাদের মানসিক আঘাত দিয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় প্রথমে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের নির্দিষ্ট কিছু সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাইলট কার্যক্রম চালু করা হবে। পাশাপাশি বড় কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও এতে অন্তর্ভুক্ত হবে। পরে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়কে এ উদ্যোগের আওতায় আনা হবে।















আপনার প্রতিক্রিয়া
প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যের জন্য লগইন
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিমালামন্তব্য করতে লগইন করুন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্য করুন।