হজের ফজিলত: কোরআন-হাদিসে বর্ণিত সর্বোচ্চ ইবাদত
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম হলো হজ। প্রত্যেক সক্ষম মুসলমানের জন্য জীবনে একবার হজ করা ফরজ। কোরআন ও হাদিসে হজের গুরুত্ব ও ফজিলত বারবার বর্ণনা করা হয়েছে।
আল্লাহ তাআলা বলেছেন—
“মানুষের মধ্যে যারা সেখানে (কাবা ঘরে) পৌঁছার সামর্থ্য রাখে, তাদের ওপর আল্লাহর উদ্দেশ্যে ওই ঘরের হজ করা ফরজ।”
—(সুরা আলে ইমরান: ৯৭)
এই আয়াত দ্বারা স্পষ্ট হয়েছে, আর্থিক ও শারীরিক সামর্থ্যবান প্রতিটি মুসলমানের ওপর হজ ফরজ।
আরও পড়ুন
মরক্কো থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন, ব্যয় প্রায় ৪২৮ কোটি টাকা
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
“যে ব্যক্তি হজ করল এবং অশ্লীল কথা কিংবা গুনাহে লিপ্ত হলো না, সে হজ থেকে এমন অবস্থায় ফিরবে যেমন নবজাতক শিশুকে তার মা জন্ম দেয়।”
—(সহিহ বুখারি ও মুসলিম)
আরেক হাদিসে এসেছে—
“এক হজ থেকে আরেক হজ পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ে সংঘটিত গুনাহসমূহ মাফ হয়ে যায়।”
—(সহিহ বুখারি)
ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, হজ শুধু আনুষ্ঠানিক ইবাদত নয়; বরং এটি আত্মশুদ্ধি, ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের প্রতীক। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লাখো মুসলমান একই পোশাকে, একই উদ্দেশ্যে আল্লাহর ঘরে সমবেত হন—এটি মানবজাতির জন্য এক অনন্য শিক্ষা।
হজ ইসলামের একটি ফরজ ইবাদত।
-
হজ গুনাহ মাফ ও আত্মশুদ্ধির পথ।
-
হজ ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক।
-
সামর্থ্যবান মুসলমানদের জীবনে অন্তত একবার হজ করা আবশ্যক।

















আপনার প্রতিক্রিয়া
প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যের জন্য লগইন
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিমালামন্তব্য করতে লগইন করুন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্য করুন।