সম্প্রতি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির ও চরমোনাই পীর পরিবারের অন্যতম নেতা সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম এক বক্তৃতায় পবিত্র কুরআনকে ঘিরে এমন একটি মন্তব্য করেন, যা মুহূর্তেই দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তার বক্তব্যের একটি অংশে ব্যবহৃত “শুভঙ্করের ফাঁকি” শব্দগুচ্ছ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এনেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া, আইনি নোটিশ ও রাজনৈতিক চাপের মুখে এই ঘটনা এখন জাতীয় বিতর্কে রূপ নিয়েছে।
৬ অক্টোবর “চরমোনাই দর্পণ” নামের ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারিত এক ভিডিও বক্তব্যে ফয়জুল করিম বলেন,
“শুধু কুরআন কিচ্ছু না। কুরআনের মধ্যে শুভঙ্করের ফাঁকি আছে।”
এই বাক্যটি প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হয়। অনেকে একে ইসলাম বিরোধী, ধর্মনিন্দা ও কুরআনের মর্যাদা হানিকর বলে অভিহিত করেন। দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন, ইসলামিক চিন্তাবিদ ও সাধারণ মুসল্লিরা বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন
বরিশালে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র ইমরানের মৃত্যু: একই পরিবারের দুই প্রজন্ম নিহত সড়ক দুর্ঘটনায়
বিতর্কিত ভিডিও প্রকাশের পর ঢাকার একজন আইনজীবী শেখ ওমর শরীফ ইসলামী আন্দোলনের এই নেতার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। নোটিশে বলা হয়, তিনি তিন দিনের মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে তার বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হবে।
বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ২৯৫(ক) ধারা অনুযায়ী, কোনো ধর্ম বা ধর্মীয় বিশ্বাসে ইচ্ছাকৃত ভাবে আঘাত করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। আইনজীবীদের একটি অংশ বলছে, তার বক্তব্য যদি ইচ্ছাকৃত ভাবে কুরআনের অবমাননা হিসেবে প্রমাণিত হয়, তবে তিনি আইনের আওতায় পড়বেন।

















আপনার প্রতিক্রিয়া
প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যের জন্য লগইন
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিমালামন্তব্য করতে লগইন করুন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্য করুন।