সদকা ও দান: কোরআন-হাদিসে দানের ফজিলত ও উপকারিতা
ইসলামে দান বা সদকার গুরুত্ব অপরিসীম। কোরআন ও হাদিসে বারবার মুসলমানদের দান করতে উৎসাহিত করা হয়েছে। দান শুধু গরিবদের উপকার করে না, বরং দাতার সম্পদকে বরকতময় করে এবং আল্লাহর রহমত নাজিল হয়।
আল্লাহ তাআলা বলেন—
“যারা আল্লাহর রাস্তায় তাদের সম্পদ ব্যয় করে, তাদের দৃষ্টান্ত একটি শস্যদানা সদৃশ; যা থেকে সাতটি শীষ উৎপন্ন হয় এবং প্রত্যেক শীষে থাকে একশ’ দানা। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বহুগুণে বৃদ্ধি করে দেন।”
—(সুরা বাকারা: ২৬১)
আবার আল্লাহ বলেন—
“তোমরা যাই ব্যয় করবে, আল্লাহ তার প্রতিদান দেবেন।”
—(সুরা সাবা: ৩৯)
আরও পড়ুন
মরক্কো থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন, ব্যয় প্রায় ৪২৮ কোটি টাকা
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
“দান সম্পদকে হ্রাস করে না।”
—(সহিহ মুসলিম)
তিনি আরও বলেছেন—
“মানুষ মারা গেলে তার সব আমল বন্ধ হয়ে যায়, তবে তিনটি জারি থাকে— সদকায়ে জারিয়া, এমন জ্ঞান যা থেকে উপকার পাওয়া যায় এবং নেক সন্তান যে তার জন্য দোয়া করে।”
—(সহিহ মুসলিম)
ইসলামী চিন্তাবিদরা বলেন, দান শুধু অর্থ দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের উপকারে আসা প্রতিটি কাজ সদকা হিসেবে গণ্য হয়। যেমন— অসহায়কে সাহায্য করা, পথচারীকে রাস্তা দেখানো, হাসি-খুশি মুখে কথা বলা—সবই সদকা।
দান সম্পদকে হ্রাস করে না, বরং বাড়িয়ে দেয়।
-
দান সমাজে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও ঐক্য সৃষ্টি করে।
-
সদকায়ে জারিয়া মৃত্যুর পরও দাতাকে সওয়াব এনে দেয়।
-
দান আল্লাহর রহমত ও বরকতের কারণ।















আপনার প্রতিক্রিয়া
প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যের জন্য লগইন
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিমালামন্তব্য করতে লগইন করুন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্য করুন।