যারা নিয়মিত ও স্বেচ্ছায় নিজের রক্ত দান করছেন, তারা সমাজে শুধু পারস্পরিক সহমর্মিতাই প্রকাশ করছেন না, বরং প্রকৃত সৎ গুণের চর্চা করছেন। এমন মানবিক গুণসম্পন্ন মানুষের পক্ষে কখনো কোনো অসৎ চর্চা বা কর্মে লিপ্ত হওয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
গত রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি (IDEB) মিলনায়তনে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘স্বেচ্ছা রক্তদাতা-গ্রহীতা মিলনমেলা ও তরুণ রক্তদাতা সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। জাবি উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, স্বেচ্ছা রক্তদাতারা তাদের এই মহৎ সৎকর্মের চর্চাকে আজীবন নিজেদের অভ্যাসে পরিণত করে রাখবেন।
‘বিশ্ব রক্তদাতা দিবস ২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই জমকালো অনুষ্ঠানে তরুণ প্রজন্মের আট শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে ‘ও পজেটিভ’ ব্লাড গ্রুপের ৫৭ বারের অনন্য স্বেচ্ছা রক্তদাতা দৌলত আল রশিদ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত নিয়মিত রক্তগ্রহীতা রকিবুল ইসলাম রুশো উপস্থিত থেকে স্ব-স্ব অনুভূতি ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়ক মাদাম নাহার আল বোখারী এবং স্বাগত বক্তব্য দেন কার্যক্রমের পরিচালক এম রেজাউল হাসান।
আরও পড়ুন
জলবায়ু ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আর কথার কথা শোনার সময় নেই
এর আগে বিকেল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা স্বেচ্ছা রক্তদাতা ও গ্রহীতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানস্থল উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। দাতা-গ্রহীতা একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হওয়া, ছোট ছোট ইনডোর গেমস আর আনন্দময় আড্ডায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। রক্তগ্রহীতা থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত সাধারণ রোগীরা এতসংখ্যক রক্তদাতাকে একসঙ্গে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কোয়ান্টাম ল্যাবের পক্ষ থেকে সকল রক্তদাতার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আলোচকরা দেশের রক্তের চাহিদা পুরোপুরি মেটাতে তরুণ সমাজকে আরও বেশি করে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।





.jpg)












আপনার প্রতিক্রিয়া
প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যের জন্য লগইন
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিমালামন্তব্য করতে লগইন করুন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্য করুন।