শিরোনাম LIVE
২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: কারণ জানতে সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডাকল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু নিয়ে যা জানা গেল ১ লাখ ইয়েমেনি সেনার সমন্বয়ে হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযানের পরিকল্পনা সৌদির, সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশ সেনাবাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে নেওয়া হচ্ছে ইউরেনিয়ামের বিশেষ চালান ১০০ জনকে পার্টটাইম চাকরি দেবে আড়ং, লাগবে না অভিজ্ঞতা এমপি পদ থেকে মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চাকরিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী তমা মির্জা বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম ফেসবুকে আসছে বিনামূল্যের ভেরিফায়েড ব্যাজ পদত্যাগের পর যে বার্তা দিলেন মোদির অনুগত শিক্ষামন্ত্রী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পরীক্ষা স্থগিত তাসকিনই এনে দিলেন দ্বিতীয় উইকেট, চাপে জিম্বাবুয়ে নারায়ণগঞ্জে ছিনতাইকারী সন্দেহে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ মোমেন্ট অব দ্য ডে ৬ পদে মোট ৭৩১ জনকে নিয়োগ দেবে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর সার্টিফিকেটে নাম ও জন্ম তারিখ সংশোধন নিয়ে জরুরি নির্দেশনা বোর্ডের বাংলাদেশ থেকে খামেনির শেষবিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ইরান গেলেন যারা স্টেডিয়াম সংস্কারে ২৫০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প. বালু উত্তোলন ও মাটি কাটায় দক্ষিণাঞ্চলে নদীভাঙনের তীব্র আতঙ্ক
অন্যান্য অর্থনীতি

এআই প্রযুক্তি: দক্ষিণ এশিয়ার শ্রমবাজারে ঝুঁকি ও সম্ভাবনা বিশ্লেষণ।

শেয়ার
এআই প্রযুক্তি: দক্ষিণ এশিয়ার শ্রমবাজারে ঝুঁকি ও সম্ভাবনা বিশ্লেষণ।

কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির বিস্তার দক্ষিণ এশিয়ার শ্রমবাজারে নতুন সম্ভাবনা ও বড় ঝুঁকি নিয়ে এসেছে। বিশ্বব্যাংকের সদ্য প্রকাশিত ‘সাউথ এশিয়া ডেভেলপমেন্ট আপডেট: জবস, এআই অ্যান্ড ট্রেড’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ৭ শতাংশ চাকরি সরাসরি এআই প্রযুক্তির কারণে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। অন্যদিকে, প্রায় ১৫ শতাংশ চাকরি এআই প্রযুক্তির সাহায্যে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সুযোগ পাবে। প্রতিবেদনের তথ্য মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) প্রকাশিত হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় এআই’র ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম। কারণ এখানকার শ্রমবাজারে অনেকেই কম দক্ষ, হাতে-কলমে কাজ এবং কৃষিনির্ভর পেশায় নিযুক্ত। তবে ঝুঁকির প্রভাব সমানভাবে সকলের ওপর পড়বে না। বিশেষ করে মধ্যস্তর ও তরুণ কর্মীরা, যারা রুটিনধর্মী অফিস কাজ বা হালকা জ্ঞানভিত্তিক কাজে নিযুক্ত, তারা এআই-চালিত স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির কারণে চাকরি হারানোর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, “এআই মানবশ্রমের বিকল্প নয়, বরং সহযোগী শক্তি হিসেবে কাজ করবে। দক্ষ ও উচ্চশিক্ষিত কর্মীরা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে পারবে। এই ক্ষেত্রে কর্মীরা প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি মজুরি সুবিধা পেতে পারেন।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় এআই-এর ইতিবাচক প্রভাব বহুমুখী। বেসরকারি খাতে প্রযুক্তি গ্রহণ ও বিনিয়োগ সংস্কার সমন্বয় ঘটালে এটি উচ্চ উৎপাদনশীল শিল্পে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে। এতে দেশগুলোকে জ্ঞাননির্ভর অর্থনীতির পথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন কঠোর মুদ্রানীতিতে বাজেটের সুফল ম্লান হওয়ার শঙ্কা অন্যান্য · ০১.০৭.২০২৬

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে এআই-এর সম্ভাব্য প্রভাবের কিছু মূল দিক তুলে ধরা হয়েছে:

  1. ঝুঁকিতে থাকা চাকরি: রুটিনধর্মী অফিস কাজ, হালকা জ্ঞানভিত্তিক কাজ ও স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রে প্রতিস্থাপনযোগ্য পেশায় নিযুক্ত তরুণ ও মাঝারি শিক্ষিত কর্মীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে।

  2. উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি: দক্ষ ও উচ্চশিক্ষিত কর্মীরা এআই-এর সাহায্যে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারবে এবং বৈষয়িক সুবিধা পাবে।

  3. নতুন কর্মসংস্থান: যদি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংস্কার ও এআই গ্রহণকে কার্যকরভাবে সমন্বিত করা যায়, তবে উচ্চ উৎপাদনশীল শিল্পে নতুন চাকরি সৃষ্টি হবে।

বাংলাদেশে এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার, বিশেষ করে ব্যাংকিং, আইটি, স্বাস্থ্য ও উৎপাদন খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তবে চাকরি রক্ষা ও দক্ষতার উন্নয়নের জন্য নীতিনির্ধারকদের আগে থেকে পরিকল্পনা নিতে হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শ্রমশক্তির দক্ষতা উন্নয়ন, পুনঃপ্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তি গ্রহণের সমন্বিত নীতি এ অঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিজ্ঞাপন

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, এআই প্রযুক্তি শুধুমাত্র ঝুঁকি নয়, বরং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগও তৈরি করবে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিকে কেবল চাকরি সংরক্ষণে নয়, বরং নতুন কর্মসংস্থান এবং উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন পেশার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

বিশেষজ্ঞরা উপদেশ দিচ্ছেন, “এআই গ্রহণের সঙ্গে শ্রমবাজার নীতিমালা, শিক্ষা এবং প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণকে মিলিয়ে নিতে হবে। এতে ঝুঁকি কমানো এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি সম্ভব হবে।”

এআই প্রযুক্তির এই দ্বৈত প্রভাব—ঝুঁকি ও সুযোগ—দক্ষিণ এশিয়ার নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশসহ অঞ্চলের দেশগুলোকে এখন প্রযুক্তি গ্রহণের পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধি ও শ্রম নীতি উন্নয়নে সঠিক পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে এআই থেকে সর্বাধিক অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করা যায়।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
NN
লেখক সম্পর্কে No Name টাইমস নিউজ ২৪
পরবর্তী খবরবাংলাদেশ ব্যাংক: রপ্তানি প্রক্রিয়ায় দেশীয় বীমা কোম্পানির মাধ্যমে ওপেন অ্যাকাউন্ট অনুমোদন।

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য করতে লগইন করুন

এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্য করুন।

অন্যান্য থেকে আরও

বিভাগ দেখুন →
Times News 24
Total Visitors
—
Today: —