খুলনায় আধুনিক পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা: প্রথম পর্যায়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে
‘খুলনা পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে খুলনা নগরীর প্রায় দশ লাখ মানুষ আধুনিক পয়োনিষ্কাশন সেবার আওতায় আসবে। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষে শৃঙ্খলার মধ্যে আসবে প্রায় ৩০ হাজার বাসাবাড়ির পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা। ইতোমধ্যে প্রকল্পটির গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাজ প্রায় শেষ বলে জানিয়েছে খুলনা ওয়াসা।
খুলনা ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক খান সেলিম আহমেদ জানান, প্রথম পর্যায়ের কাজ চলতি বছরেই শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “প্রথম ধাপের কাজ শেষ হলে নগরীর প্রায় দশ লাখ মানুষ উন্নত ও পরিবেশবান্ধব পয়োনিষ্কাশন সুবিধা ভোগ করবেন।”
প্রকল্পের আওতায় ১৭ আংশিক থেকে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিটি বাড়ির সামনে পয়ঃনিষ্কাশনের পাইপ বসানো হয়েছে। এই পাইপের মাধ্যমে বর্জ্য পানি ও সেপটিক ট্যাংকের পানি আটটি পাম্প স্টেশনে যাবে। সেখান থেকে বর্জ্য মাথাভাঙ্গা ও ঠিকারাবাঁধে নির্মিত দুটি শোধনাগারে পাঠানো হবে। প্রতিদিন সেখানে প্রায় ৫২ লাখ লিটার পয়ঃবর্জ্য শোধন করা হবে। তরল অংশ নদীতে ফেলা হবে এবং কঠিন অংশ জৈব সার তৈরির জন্য রিফাইনিং করা হবে।
আরও পড়ুন
দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে স্বর্ণ: ভরিতে বেড়েছে আরও ১,০৫০ টাকা

এ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৩৩৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) ঋণ ১ হাজার ৪০৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা এবং সরকারের নিজস্ব তহবিল রয়েছে ৯২৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা। বর্তমানে দুটি শোধনাগার ও আটটি পাম্প স্টেশনের প্রায় ৭৮ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।
২০২০ সালের ২৮ জুলাই একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পায় এবং একই বছরের অক্টোবরে ম্যাক্স ইনফ্রাকচার লিমিটেড কাজ শুরু করে। প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষে দ্বিতীয় পর্যায়ে ১ থেকে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডকে আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
















আপনার প্রতিক্রিয়া
প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যের জন্য লগইন
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিমালামন্তব্য করতে লগইন করুন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্য করুন।