পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশন্স (আইএসপিআর) তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় একাধিক তালেবান স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। আফগান ভূখণ্ডের ভেতরে ২১টি শত্রু ঘাঁটি অস্থায়ীভাবে দখল করা হয়েছে এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলা পরিকল্পনায় ব্যবহৃত প্রশিক্ষণ শিবিরগুলো অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তালেবান পোস্ট, ক্যাম্প ও নেটওয়ার্কগুলোর অবকাঠামোগত ক্ষতি ব্যাপক পর্যায়ের।
আইএসপিআর জানিয়েছে, অভিযানের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে সংগঠিত ও সিরিয়াল হামলার ক্ষেত্রে নিয়োজিত সন্ত্রাসী-চক্রকে লক্ষ্য করা হয়েছে। বিবৃতিতে পাকিস্তান দাবি করেছে যে এই হামলাগুলো আফগান তালেবান ও ভারতসমর্থিত হিসেবে বর্ণিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-র বিরুদ্ধে পরিচালিত প্রতিরোধমূলক প্রতিশোধমূলক কার্যক্রমের অংশ ছিল। (দাবিগুলো পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের।)
পাকিস্তানি সামরিক মুখপাত্র বলেন, ইসলামাবাদ কূটনীতি ও সমঝোতাকে অগ্রাধিকার দেয়, তবে আফগান মাটি ব্যবহার করে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদের কার্যক্রম কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার স্বার্থে পাকিস্তান তালেবান সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে তাদের ভূখণ্ডে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো নিষ্ক্রিয় করার সুনির্দিষ্ট ও যাচাইযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করতে।
আরও পড়ুন
ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী
ঘটনা শহুরে ও সীমান্তবর্তী এলাকায় উত্তেজনা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আঞ্চলিক কূটনৈতিক পরিবেশে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এখন পর্যন্ত আফগানিস্তানের কর্তৃপক্ষ বা আরএসএফ/তালেবান পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি—আইএসপিআর সূত্রের তথ্যই একমাত্র উপলব্ধ বিবরণ। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা সীমান্ত পেরিয়ে অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে সতর্ক করেছেন; এক্ষেত্রে স্বতন্ত্রভাবে স্বাধীন তদন্ত ও স্বাধীনতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে মনে করছেন কূটনীতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

















আপনার প্রতিক্রিয়া
প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যের জন্য লগইন
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিমালামন্তব্য করতে লগইন করুন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্য করুন।