বাংলাদেশে ডায়াবেটিস এখন এক মহামারি। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে প্রায় ১ কোটিরও বেশি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, যার মধ্যে অর্ধেকের বেশি নিজের রোগ সম্পর্কে অবগত নন। এক সময় এ রোগকে “ধনী মানুষের রোগ” বলা হতো, কিন্তু এখন গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও খাদ্যাভ্যাসে অনিয়মই এর প্রধান কারণ।
তবে আশার খবর হচ্ছে—ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এখন এসেছে নানা নতুন চিকিৎসা প্রযুক্তি ও পদ্ধতি, পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসেও চলছে বৈজ্ঞানিক পরিবর্তন।
নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি ও প্রযুক্তি
আরও পড়ুন
জলবায়ু ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আর কথার কথা শোনার সময় নেই
খাদ্যাভ্যাসে বৈজ্ঞানিক পরিবর্তন
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে খাদ্যাভ্যাস। নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, সঠিক সময়ে খাবার গ্রহণ ও সুষম আহার রক্তের গ্লুকোজের ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
ব্যায়াম ও মানসিক স্বাস্থ্য
ডায়াবেটিস শুধুমাত্র শারীরিক নয়, মানসিক বিষয়ও বটে। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, যোগব্যায়াম, সাঁতার বা হালকা দৌড় গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। পাশাপাশি মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখাও জরুরি। গবেষণায় দেখা গেছে, মানসিক চাপ ইনসুলিন প্রতিরোধ বাড়ায়, ফলে রক্তে শর্করা বেড়ে যায়।
চিকিৎসকদের পরামর্শ
বাংলাদেশ ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশনের পরামর্শ অনুযায়ী—
-
প্রতি ছয় মাস অন্তর নিয়মিত চেকআপ করা জরুরি।
-
নিজস্ব খাদ্য তালিকা তৈরির আগে পুষ্টিবিদের সঙ্গে পরামর্শ নিতে হবে।
-
যেকোনো নতুন চিকিৎসা বা সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ আবশ্যক।
















আপনার প্রতিক্রিয়া
প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যের জন্য লগইন
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিমালামন্তব্য করতে লগইন করুন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্য করুন।