প্রথমে
৩০০ বিলিয়ন, এখন ৪০০ বিলিয়ন
প্রথমে ২০২১ থেকে ২০২৭ সাল মেয়াদে ৩০০ বিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগের পরিকল্পনা ছিল। তার মধ্যে অর্ধেকই আফ্রিকায় ব্যয় করার কথা ছিল। তবে সাম্প্রতিক পরিকল্পনায় লক্ষ্য বাড়িয়ে ৪০০ বিলিয়ন ইউরোরও বেশি করা হয়েছে।
খনিজে চীননির্ভরতা কমাতে চায় ইইউভন ডার লেইন বলেন, “আমাদের সবুজ রূপান্তরের জন্য যেসব গুরুত্বপূর্ণ খনিজ প্রয়োজন, তার জন্য চীনের ওপর আমাদের নির্ভরতা রয়েছে। আমরা এখন সেই নির্ভরতা কমাতে চাই।” এই কর্মসূচির আওতায় ইইউ আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ায় কৌশলগত খনিজের নতুন উৎস খুঁজবে। এর মাধ্যমে সবুজ শক্তি, ইলেকট্রিক গাড়ি ও প্রযুক্তি খাতে ইউরোপীয় খনিজ সরবরাহ চেইন শক্তিশালী করা হবে।
দক্ষিণ এশিয়ার জন্য সম্ভাবনা
প্রথমে ২০২১ থেকে ২০২৭ সাল মেয়াদে ৩০০ বিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগের পরিকল্পনা ছিল। তার মধ্যে অর্ধেকই আফ্রিকায় ব্যয় করার কথা ছিল। তবে সাম্প্রতিক পরিকল্পনায় লক্ষ্য বাড়িয়ে ৪০০ বিলিয়ন ইউরোরও বেশি করা হয়েছে।
খনিজে চীননির্ভরতা কমাতে চায় ইইউভন ডার লেইন বলেন, “আমাদের সবুজ রূপান্তরের জন্য যেসব গুরুত্বপূর্ণ খনিজ প্রয়োজন, তার জন্য চীনের ওপর আমাদের নির্ভরতা রয়েছে। আমরা এখন সেই নির্ভরতা কমাতে চাই।” এই কর্মসূচির আওতায় ইইউ আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ায় কৌশলগত খনিজের নতুন উৎস খুঁজবে। এর মাধ্যমে সবুজ শক্তি, ইলেকট্রিক গাড়ি ও প্রযুক্তি খাতে ইউরোপীয় খনিজ সরবরাহ চেইন শক্তিশালী করা হবে।
দক্ষিণ এশিয়ার জন্য সম্ভাবনা
এই
প্রকল্পে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো উপকৃত হতে পারে। নবায়নযোগ্য
শক্তি, বিদ্যুৎ সংযোগ, বন্দর, শিক্ষা ও ডিজিটাল অবকাঠামোতে
ইউরোপীয় বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা তৈরি
হয়েছে।
‘ইনভেস্টমেন্ট হাব’ চালু
ইইউ একটি নতুন বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম চালু করছে, নাম ‘গ্লোবাল গেটওয়ে ইনভেস্টমেন্ট হাব’। এখানে বিশ্বের বিভিন্ন কোম্পানি তাদের প্রকল্পের জন্য বিনিয়োগ প্রস্তাব জমা দিতে পারবে। ভবিষ্যতে এটি হবে ইউরোপীয় অর্থায়ন ও বিশ্বজুড়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের একটি একক কেন্দ্র।
‘ইনভেস্টমেন্ট হাব’ চালু
ইইউ একটি নতুন বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম চালু করছে, নাম ‘গ্লোবাল গেটওয়ে ইনভেস্টমেন্ট হাব’। এখানে বিশ্বের বিভিন্ন কোম্পানি তাদের প্রকল্পের জন্য বিনিয়োগ প্রস্তাব জমা দিতে পারবে। ভবিষ্যতে এটি হবে ইউরোপীয় অর্থায়ন ও বিশ্বজুড়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের একটি একক কেন্দ্র।
বিশ্ব
রাজনীতিতে উন্নয়ন সহায়তা এখন কেবল দান
নয়, কৌশলগত প্রতিযোগিতার অংশ হয়ে উঠছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের গ্লোবাল গেটওয়ে কর্মসূচি তারই সাম্প্রতিক উদাহরণ।
চীনের মত প্রভাব বিস্তারকারী
দেশের বিকল্প হতে চায় ইউরোপএবং এই প্রক্রিয়ায়
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সামনে নতুন দরজা খুলে
যেতে পারে।
সূত্র: ইউরোপীয় কমিশনের ভাষ্য ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম
সূত্র: ইউরোপীয় কমিশনের ভাষ্য ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম















আপনার প্রতিক্রিয়া
প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যের জন্য লগইন
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিমালামন্তব্য করতে লগইন করুন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্য করুন।