দলের প্রধান কোচ হাভিয়ে ক্যাবরেরা সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইঙ্গিত দিয়েছেন, খুব শিগগিরই নেতৃত্বে পরিবর্তন দেখা যেতে পারে, আর সেই পরিবর্তনের কেন্দ্রে আছেন ইংলিশ-বাংলাদেশি এই মিডফিল্ডার হামজা।
একজন সিনিয়র খেলোয়াড় নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন,
“হামজা ভাই সবসময় আমাদের পাশে থাকেন, অনুশীলনে পরামর্শ দেন, উৎসাহ দেন। তিনি অধিনায়ক হলে দল আরও সংগঠিত হবে।”
দলীয় সূত্র জানায়, হংকং চায়নার এই সফরে পুরো স্কোয়াড বেশ ফোকাসড। খেলোয়াড়দের মধ্যে দারুণ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। অনুশীলন, ডিনার কিংবা টিম মিটিং—সব জায়গায় হামজার উপস্থিতি নজরকাড়া। তাঁর প্রাণবন্ত নেতৃত্ব ও পেশাদার মনোভাব কোচ ও খেলোয়াড়দের আস্থা অর্জন করেছে দ্রুতই।
বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য হামজার অন্তর্ভুক্তি ছিল এক প্রকার নতুন দিগন্তের সূচনা। ইংল্যান্ডের লেস্টার সিটির এই তারকা শুধু মাঠে নয়, মানসিক দিক থেকেও দলের মান উন্নত করছেন। খেলোয়াড়দের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।
বাংলাদেশ ফুটবলে নেতৃত্বের এই পরিবর্তন হতে পারে নতুন যুগের সূচনা। জামাল ভূঁইয়া গত এক দশক ধরে দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন দৃঢ়তার সঙ্গে। তাঁর অধীনে দল কিছু ঐতিহাসিক জয়ও পেয়েছে। তবে এখন সময় এসেছে তরুণ নেতৃত্বকে সুযোগ দেওয়ার, এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
তবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। কোচ ক্যাবরেরা শুধু ইঙ্গিত দিয়েছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে দলের হেড মিটিং শেষে।
হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বে দলকে দেখতে চায় অনেক সমর্থকও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিমধ্যে ভক্তরা পোস্ট দিচ্ছেন—“চেঞ্জ ফর বেটার বাংলাদেশ ফুটবল”।
বাংলাদেশ ফুটবলের ইতিহাসে এমন পজিটিভ পরিবেশ বিরল। কোচ, খেলোয়াড়, এবং সিনিয়ররা একসাথে যদি এগিয়ে যান, তাহলে হয়তো হংকংয়ের মাঠেই শুরু হবে নতুন অধ্যায়—হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বে এক নতুন বাংলাদেশ দল।















আপনার প্রতিক্রিয়া
প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যের জন্য লগইন
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিমালামন্তব্য করতে লগইন করুন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্য করুন।