গোল খাওয়ার পর ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের মধ্যে দেখা যায় বিভ্রান্তি। আনচেলোত্তির নির্দেশেও দলের গতি ফেরানো যায়নি। একদিকে জাপানের ফুটবলাররা খুঁজে পায় বাড়তি আত্মবিশ্বাস, অন্যদিকে ব্রাজিল বারবার ভুল করতে থাকে মাঝমাঠে ও রক্ষণভাগে।
৭১ মিনিটে আসে ম্যাচের মোড় ঘোরানো মুহূর্ত। জাপান কর্নার পায়, সেখান থেকে আয়াসে উয়েদা হেড করে গোল করেন। বল ব্রাজিলের নবাগত গোলরক্ষক হুগো সুজার গায়ে লাগলেও তিনি সেটি আটকাতে ব্যর্থ হন। বল ডিফ্লেক্ট হয়ে চলে যায় জালে—স্কোরলাইন তখন ৩–২ জাপানের পক্ষে।
শেষ সময় পর্যন্ত ব্রাজিল চেষ্টা চালালেও সমতা ফেরানো সম্ভব হয়নি। গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি, পাকেতা ও গিমারেসরা বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ে ব্যর্থ হন।
১৪ বারের মুখোমুখিতে এই প্রথমবার জাপান জিতল ব্রাজিলের বিপক্ষে। সেই সঙ্গে তারা প্রমাণ করল—ফুটবলে নাম নয়, মাঠের লড়াইয়েই জয় নির্ধারিত হয়।
একদিকে যখন জাপান উদযাপন করছে ইতিহাস, অন্যদিকে আনচেলোত্তির ব্রাজিলের মুখে এখন একটাই প্রশ্ন—এই হার কি বিশ্বকাপ স্বপ্নের আগাম সতর্কবার্তা?















আপনার প্রতিক্রিয়া
প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যের জন্য লগইন
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিমালামন্তব্য করতে লগইন করুন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্য করুন।