গ্রুপ স্টেজে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ জেতার পর অধিনায়ক সুর্যকুমার যাদব পাকিস্তান দলের অধিনায়ক সালমান আলি আঘার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেননি। শুধু তিনিই নন, দলের অন্যান্য সদস্যরাও হ্যান্ডশেক থেকে বিরত থাকেন। তিনটি ম্যাচেই একই আচরণ অব্যাহত রাখায় বিষয়টি নজরে আসে বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের।
ভারতীয় দলের এই সিদ্ধান্তের পেছনে কারণ হিসেবে উঠে এসেছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনা। পাহালগামে ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত-পাকিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক আবারও তীব্র হয়ে ওঠে। তারই প্রভাব পড়েছে ক্রিকেট মাঠেও। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) একাধিক কর্মকর্তা জানান, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও দেশের জনমত বিবেচনায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অনেকেই এই পদক্ষেপকে “অখেলোয়াড়সুলভ আচরণ” হিসেবে দেখছেন।
এমন বিতর্কের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা বিষয়টি নিয়ে তৈরি করেছেন এক হাস্যরসাত্মক ভিডিও, যা আরও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান সম্প্রচার সংস্থা কায়ো স্পোর্টস ভিডিওটি প্রকাশ করেছে, যেখানে এক সংবাদ উপস্থাপক মজা করে বলেন, “আমরা সবাই জানি ভারত দারুণ দল, তবে আমরা তাদের একটি দুর্বলতা খুঁজে পেয়েছি—তারা হ্যান্ডশেক করতে চায় না।”
ভিডিওতে অস্ট্রেলিয়ার হোয়াইট-বল অধিনায়ক মিচেল মার্শ, তার সতীর্থ ট্রাভিস হেড, হ্যাজেলউড, এবং মহিলা ক্রিকেটার গ্রেস হ্যারিস অংশ নেন। একপর্যায়ে মার্শকে দেখা যায় ‘আইস কাপ-এ আঙুল’ খেলার ভঙ্গিমা দেখাতে, যেন বল ধরার আগে প্রতিপক্ষকে বিভ্রান্ত করছেন। ভিডিওর শেষে সবাইকে একসাথে হাসতে দেখা যায়—যা ভারতীয় দলের হ্যান্ডশেক বিতর্কের প্রতি এক কৌতুকময় প্রতিক্রিয়া হিসেবে ধরা হচ্ছে।
ভিডিও প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ ভিডিওটিকে “স্মার্ট হিউমার” বলে প্রশংসা করছেন, আবার অনেকেই মনে করছেন এটি সংবেদনশীল একটি বিষয়ের প্রতি অযথা ঠাট্টা। বিশেষ করে ভারতীয় ভক্তদের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, তাদের মতে, অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটারদের এ ধরনের মন্তব্য আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে দায়িত্বজ্ঞানহীন।















আপনার প্রতিক্রিয়া
প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যের জন্য লগইন
মন্তব্য (0)
মন্তব্য নীতিমালামন্তব্য করতে লগইন করুন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্য করুন।